অ্যাপে ‘স্টপ ডেঙ্গু’

১৭ আগষ্ট, ২০১৯ ১০:৫১  
ঘাতক ডেঙ্গু থেকে নাগরিকদের সুরক্ষায় উন্মোচন করা হয়েছে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ নামের একটি অ্যাপ। গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাচ্ছে। অ্যাপটির ডাউনলোড ঠিকানা: https://play.google.com/store/apps/details?id=app.guntur.com.apilearning&hl=en। ই-ক্যাব বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে অ্যাপটি তৈরিতে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে ই-পোস্ট ও বিডি-ইয়ুথ। শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে জাতীয় স্কাউট ভবনে অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের অ্যাপটির ব্যবহার ও কার্যকারিতার ওপর আলোকপাত করেন ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল। তিনি জানান, ‘স্টপ ডেঙ্গু’ অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে যে কেউ সারা দেশের যে কোন স্থানে মশার প্রজনন স্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারবেন। এর মাধ্যমে পুরো দেশের মশার প্রজনন স্থানের ম্যাপিং তৈরি করা হবে। ফলে সিটি কর্পোরেশন এবং স্থানীয় সরকার খুব সহজেই কোন এলাকায় কত জন লোক নিয়োগ করতে হবে তা মশার জন্ম স্থানের ঘনত্ব দিয়ে নির্ধারণ করতে পারবে। মশা নিয়ন্ত্রণে কি পরিমান ঔষধ কিনতে হবে বা ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়টিও জানা যাবে অ্যাপটির মাধ্যমে। একইসঙ্গে পরবর্তী বছরের জন্য পূর্বের থেকে সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ করা যাবে। অ্যাপটিতে আরো যেসব ফিচার রয়েছে সেগুলো হলো- ফিচার ১: সকল নিযুক্তকর্মী তাদের তাদের পরিছন্নতা অভিযানের আপডেট প্রতিদিন অ্যাপস এর মাধ্যমে দিতে পারবে। এই ফিচারটির মাধ্যমে সহজেই বের করা যাবে- ক. মশার প্রজনন স্থানগুলোতে সঠিকভাবে পরিচ্ছন্ন করার ঔষধ ছিটানো হচ্ছে কিনা। খ. প্রতিদিন কত সংখ্যক এলাকা পরিচ্ছন্ন করা হলো তা অ্যাপের মাধ্যমে জনসাধারণ খুব সহজেই জানতে পারবেন। ফিচার ২: সচেতনামূলক তথ্য অডিও ভিডিও এবং লিখিত ভাবে অ্যাপের মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। ফিচার ৩: বিভিন্ন জরুরি সেবা যেমন এম্বুলেন্স রক্ত প্রদান বিভিন্ন কাছাকাছি হসপিটালের তথ্য বাসায় ডাক্তার সেবা বাসায় গিয়ে রক্তের স্যাম্পল সংগ্রহ ইত্যাদি অ্যাপের মাধ্যমে এবং নির্দিষ্ট হট লাইনের মাধ্যমে সেবা প্রদান করা যাবে। ফিচার ৪: যেকোনো সরকারি তথ্য সচেতনামূলক তথ্য এই অ্যাপের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো যাবে। ফিচার ৫: অ্যাপস ব্যবহারকারীরা অ্যাপস এর তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহজেই শেয়ার করতে পারবেন। ফিচার ৬: রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে অ্যাপস এর মাধ্যমে জরিপ পরিচালনা করা যাবে যা ভবিষ্যতে গবেষণার উপাত্ত হিসেবে কাজে দেবে। ফিচার ৭: অ্যাপস এর পাশাপাশি একটি ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজ তৈরি করা হবে যার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে জনসাধারণকে সহজেই সংযুক্ত করা যায়।